আহা আবেগ ❤️

#বাংলা

Placeholder Image

আবেগ কখন বেদুইন, কখন ছকে বাঁধার,
হৃৎকম্পে তাল কেটে যায়, মিথ্যে গলাসাধার !
মিথ্যে টাকে আশকারা দিয়ে
সত্যি যেথায় লুকোয়,
চোখের পাতা লজ্জা কাটাক, স্পর্শ বোবা কথার !

 

Advertisements

পুনর্জন্ম

“মৃত্যুতেই কি জীবনের পরিসমাপ্তি?”
বাংলা টিউশনি থেকে বেরিয়ে অলস হাতে সাইকেলটাকে বার করতে করতে তীর্থ ভাবছিল, সত্যিই কি তাই? অন্যমনস্ক হয়ে বেরোতে গিয়ে হঠাৎ ধাক্কা লাগল সামনের সাইকেল টায় । হুড়মুড় করে পড়লো তিন চারটে সাইকেল ।
“দেখ কি বদমাশ, ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে, অ‍্যাইইই তীর্থ, তুলে দিয়ে যা..”
পিছুডাক ফলে গেলো । একটু দূর যেতে না যেতেই পেছনের চাকা পাংচার । যাহ! সামনে কোনো দোকানও নেই । অগত্যা হেঁটেই এগোনো । বাবা বলতো, আর একটু হাঁটলেই পৌঁছে যাবো, হাল ছাড়িস না বাবু । আজ বাবার কথা খুব মনে পড়ছে তীর্থর । পড়ার ই কথা । শেষবার বাবাকে বলেছিল, “বাবা আমার জন্য বরফ আনবে !” মা চোখ কটমট করে বলেছিল, “টনসিল টা কি আমার?”
আইসক্রিম তো দূর, মা কোনোদিন ঠান্ডা জলও খেতে দেয়নি তীর্থ কে !
“তীর্থ, জল আছে রে?”
ভাবনার খেই হারিয়ে গেল তীর্থ র । প্রিয়াঙ্কা ।
“এই নে, কিরে শরীর খারাপ করছে নাকি…”
প্রিয়াঙ্কা অনেক দিন ধরে অসুস্থ, স্কুলেও ঠিকমতো যায়না। তীর্থর ভালো বন্ধু । মাঝে মাঝেই পড়া বুঝতে প্রিয়াঙ্কার কাছে যায় ও। খুব ব্রিলিয়ান্ট মেয়ে ।
“চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে তো ! চল বাড়ী ছেড়ে দিয়ে আসি তোকে । আরেকটু জল খা.. ”
কাছেই ছিল প্রিয়াঙ্কার বাড়ি । এসে একটু জিরিয়ে নিলো তীর্থ। কাকু কাকিমা দুজনেই ছিলেন। ঠান্ডা আমের শরবত খেয়েও নিলো টনসিল ভুলে । কাকিমা বললেন,” দেখোনা বাবা পিউ এর ব্রেন এর কিছু টেস্ট করাতে বললেন ডাক্তারবাবু, কলকাতা যেতে হবে, অনেক টাকার ব্যাপার, অপারেট ও করতে হতে পারে, টিউমার আছে কিনা টেস্ট না করলে বলতে পারছেননা !”
শুনে মন টা খারাপ হয়ে গেলো তীর্থর। কাকু বললেন, “তুই আমার সাইকেলটা নিয়ে চলে যা না হয়, আমি…”
“না না কাকু, আমি হেঁটে চলে যাবো!”
তীর্থকে দরজা অব্দি ছেড়ে দিতে এলো প্রিয়াঙ্কা ।
“নিজের খেয়াল রাখিস রে ।”
“হ্যাঁ রে, ডাক্তার বাবু বলেছেন লাখ খানেক টাকা লাগবে জানিস!”
হ্যাঁ, বাবারও ওরকমই লেগেছিল, মা কালই তো বলছিল !
“এতো টাকা অ্যারেঞ্জ করা একসাথে…” তীর্থ চোখ নামালো ।
“আরে জানিস”, হাঁফিয়ে উঠলো প্রিয়াঙ্কা, ” বাবার ইচ্ছে ছিলো মাউন্টেনিয়ারিং করার। এমনি তো ছোটো ছোটো অনেক সামিট করেছে আমি যখন ছোটো ছিলাম । কাঞ্চনজঙঘা র জন্যেও বেরিয়েছিল । কিন্তু ছুঁতে পারেনি । শরীর দেয়নি । ইচ্ছে ছিলো আরেকবার যাওয়ার ।তার জন্য টাকা জমাচ্ছিল দুজন মিলেই । সেই টাকাই খরচ হয়ে যাবে রে এবার !”
বুকের ভেতর অনেক ক্ষনই দামামা র শব্দ আঁচ করতে পারছিলো তীর্থ ! প্রিয়াঙ্কার কথা শেষ হতে না হতেই চোখের সামনে ভেসে উঠলো শিলিগুড়ির বাড়িটা, বারান্দায় বাবার কোলে ছোট্ট তীর্থ, ওই তো সোনালী কাঞ্চনজঙ্ঘা ! বাবা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বললো, “ওই দেখ ঐখানটায় যাবো আমি !”
“আমি টাটা করবো দেখতে পাবে তো? তুমিও টাটা করবে বাবা ?”
“হ্যাঁ বাবা, আমিও জোরে জোরে টাটা করবো, এই ভাবে..”
স্পষ্ট বাবার হাসি ! তীর্থ কি সত্যিই শুনতে পেলো !
বাবা আর ফিরে আসেনি, বডি ও পাওয়া যায়নি । ঘটনার পর একটা বছর পুরো মাকে সিঁদুর পরতে দেখেছে তীর্থ ।কাঞ্চনজঙ্ঘা যাওয়ার টাকার জন্য বাড়ির দলিল টাও বন্ধক ছিলো । তারপর সব হারিয়ে ছোটো ছেলেকে নিয়ে তীর্থ র মায়ের মেদিনীপুর চলে আসা । ভেবেছিল বাপের বাড়ি টা নিজের । দাদা ভাবতে দেয়নি । তারপর বাড়ী বাড়ী টিউশন করে ছেলেকে মানুষ করার সংকল্প ।
অব্যক্ত নয় । ভাগীরথী নয় । কে বলেছে, যে যায়, সে আর ফেরেনা ? অনন্তকালের জন্য লুপ্ত হয় ? বাবার ছবির সামনে গিয়ে শুধু হ্যাপি বার্থডে প্রত্যেক বছর বলে ও। আজ সকালেও বলেছে । এবার বলবে পুনর্জন্ম ! 🙂

Let Me Be :)

Placeholder Image

Let grief be frequent, Hold hands tight !
No fear of losing self, If stand beside !
Let me be the crowd, In front of your eyes !
Let me be that cloud,
You’d fall from number nine !

সর্বনাশ

শিরায় শিরায় সিস আর বিষে, নিশ্বাসে আর নাভিশ্বাস,
জ্যান্ত বোবা সময় ফুরোয়, খেরোর খাতায় সর্বনাশ !

অভিমান

মায়াজালে বোনা থাক ফেলে আসা পিছুটান,
তুই আমি দূরে,মাঝে একরাশ অভিমান !

I was his girlfriend 

I was his girlfriend !The man still counts stars.. The man still follows my belief.. The man still loves me the way I am.. He let me go when I left him.. Whenever we meet after that he never hesitates to say ‘Love u till death’.I tell him several times ‘Fall in Love’ but he says he doesn’t want to repeat his mistake.. He missed the train but still waiting.. Did not boarded a different one. I know I’m  guilty but he never means so.. I am unfortunate I lost his love. #রোদ্দুর